খেরোখাতা : ৩ : হল কথন, সিট যেখানে হতাশার গল্প

খেরোখাতা : ১ : পড়ুম না আমি কুয়েটে!!!

খেরোখাতা : ২ : সেকেন্ড টাইম!!!

ঢাবিতে যখন আমাদের ভর্তি প্রক্রিয়া চলছিল, তখন ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়। সবকিছু নিয়মনীতি অনুসারে চলছে। মনে ক্ষীণ আশা ছিল মেরিটে যেহেতু প্রথম দিকে, তাই সিট পেয়েও যেতে পারি। দুঃখের বিষয় জগন্নাথ হলে সম্পর্কে ধারণা ছিল না, থাকলে এতো কষ্ট করে আশা করতে হতো না। যেদিন হলে গেলাম ভর্তির কাজ করতে, অফিসে বসে থাকা একজনকে জিজ্ঞেস করলাম সিটের ব্যাপারে, তার নিরস উত্তর ছিল সিটের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।

বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

খেরোখাতা : ২ : সেকেন্ড টাইম!!!

খেরোখাতা : ১ : পড়ুম না আমি কুয়েটে!!!

চলে গেলাম বাসায়। যেভাবেই হোক ঢাকার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাকে ভর্তি হতেই হবে। শর্ট হিট লিস্ট তৈরি করলাম। ঢাবি, এমাইএসটি, টেক্সটাইল। ফার্স্ট চয়েজ ঢাবির এপ্লাইড ফিজিক্স। এদিকে বাসায় ধুন্ধুমার অবস্থা। বাসায় রীতিমতো কোর্ট বসে গেল। কাহিনী কি? তুমি চইলা আসলা কেন? উত্তর দিতে দিতে জান খারাপ। তো নানা ভাবে বুঝিয়ে কুয়েটের চোদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করে অবশেষে রাজি করালাম “সেকেন্ড টাইম” টেরাই করার জন্য। যারা দ্বিতীয় বার এডমিশনের জন্য টেরাই করে, তাদের ব্র্যান্ড নাম হচ্ছে “সেকেন্ড টাইম”। কুয়েটে পড়াকালীন সময়েই মা মারা যান। আর তাই আশেপাশের জ্ঞানী ব্যক্তিদের ভাষ্য ছিল, ছেলের মাথা পুরা গেছে!!! ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি ছাইড়া চইলা আসছে!!! এর কোনো ভবিষ্যৎ নাই!!! বিস্তারিত পড়ুন

খেরোখাতা : ১ : পড়ুম না আমি কুয়েটে!!!

যথারীতি বুয়েটে চান্স পাই নাই। পাওয়ার কথাও ছিলনা। একেবারে ভর্তি পরীক্ষার সময় ম্যালেরিয়া এবং টাইফয়েড একসাথে হওয়ার পরও কেউ যদি চান্স পাওয়ার আশা করে তার মানসিক সুস্থতা নিয়েই প্রশ্ন উঠা উচিত। এই চিন্তা করে শান্তি পেলাম যে এমনিতেই তো চান্স পেতাম না, অসুস্থ হয়ে ভালোই হল, একটা অজুহাত পাওয়া গেল। চান্স পাওয়ার পর খুলনা বেড়াতে যাব এই চিন্তা করে কুয়েটের ফর্ম কিনেছিলাম। দেখা গেলো কুয়েটে চান্স না পেলে আর এই বছর কোথাও ভর্তিই হতে পারব না। কুয়েটে যখন পরীক্ষা দেই তখনো আমি পুরোপুরি সুস্থ না। ম্যালেরিয়ার ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে তখনো ভাত দেখলেই বমি আসে। যাই হোক, পরীক্ষা দিলাম। রেজাল্ট দেখে আমি অবাক!!! বিস্তারিত পড়ুন